Akhi alamgir pussy

তে পড়ত। সেকেন্ড ইয়ারে। পরে এফ.সি.পি.এস’ও শেষ করছে। এখন সুন্দর ঘরে বসে আছে। সে নাকি টায়ার্ড হয়ে গেছে। ডাক্তারি করতে পেইন লাগে। এই মেয়েটাকে যখন আমি প্রথম দেখেছিলাম তখনই আমার মনে হয়েছিল মেয়েটার মাথায় কিছু না কিছু ছিট তো আছেই। আর এখনও জীবনের প্রতিটা ডিসিশনে সেটার পরিচয় খুব ভাল ভাবেই দিচ্ছে। তবুও কেন জানি মেয়েটাকে ভাল লাগে। হয়ত মানুষ ভালো এই জন্য।ফোন রিসিভ করতেই সেই জ্বালাময়ী কণ্ঠ কানে এল।–হ্যালো,রিশাত,কেমন আছো? –আমি ভীষণ ভালো আছি। তার উপর তোমার জন্য একটা, না না, অনেকগুলা সারপ্রাইজ আছে, তাই আরও বেশি বেশি ভালো।–কি সারপ্রাইজ? –না,ভার্সিটি বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী সাত দিন বন্ধ থাকবে।–“তাই নাকি?

–তুমি এক্ষন আমার বাসায় আসো, আসলেই টের পাবা।–কি টের পাবো, সারপ্রাইজ? ” সপ্না ভীষণ খুশি হয়ে বলল।সপ্নার এটা আরও একটা সমস্যা। যখন খুশি হয় তখন সেটা অনেক বেশি করে প্রকাশ করে, আবার যখন কষ্ট পায় সেটা যত বড়ই হোক না কেন মতেই কষ্ট বুঝতে দেয় না অন্যকে। এজন্য আমি কয়েকবার মিস গাইডও হয়েছি।–হ্যাঁ, তাই ভাবতেছি Ctg যামু গা। আম্মুর সাথে দেখা করতে।–খুবই ভাল, যাও দেখা করে আসো আম্মুর সাথে। তবে আমার একটা রিকোয়েস্ট আছে।–কি? –মানে কিছু না। তুমি সোমবারের টিকেট কাট। বাকিটুকু পরে বুঝাইতেছি।–বাসায় আংকেল আছে না?

Akhi alamgir pussy-76

Bangladeshi Singer Akhi Alamgir Sex Video sex video have will amaze you if you are the fetish kind.

boy marcbangla akhi alamgir xnxxkazama yukozumijk anal7 men5indian actor dipty nowale full sexy moviejesus extagra van112 girls flash tits at mcdonalds drive thruacters kirti sanon sex videos 1010 vdeiolesbian forced innocent teen bondageamandas7www pornt xxx koreasex mira osawamalaking brtillusion porn hd Disclaimer: has a zero-tolerance policy against illegal pornography.

Download or play free bd singer akhi alomgir sex video sexwap24 porn video hd, mobile porn, xxx porn, porn hq, xxx download, sex video.

If you like this video dont forget to bookmark and share video with your friends.

ফোন নাম্বার চালাচালির পর ক্যাম্পাসে আসলাম। আসতে না আসতেই দেখি সপ্না কল দিছে। বলল ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতে। যেই মানুষটা আমার,চার সাড়ে চার ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর কষ্ট বাঁচায় দিল তার জন্য মিনিমাম কৃতজ্ঞতা দেখাতে হলেও আমার সেইদিন তার রিকোয়েস্টটা এক্সেপ্ট করা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। গেলাম দেখা করতে। সারা দিন ঘুরলাম আমরা। অনেক এনজয় করেছিলাম। এমন করে ও প্রায়ই আমাকে কল দিত আর আমরা ঘুরতে যেতাম। পরে অবশ্য শুধু কৃতজ্ঞতা থেকে যাই নাই, ভালো লাগত তাই যেতাম। আমাদের মাঝে বেশ ভালই একটা রিলেশান বিল্ড আপ করেছিল। কিন্তু কিভাবে যে সেটা প্রেম হয়ে গেল সেটা আমার মাথায় ঢুকে নাই।একদিন সপ্না আমারে হাউমাউ কইরা কানতে কানতে কয় ও নাকি আমারে ভালবাসে। আমার আসলে বিয়ার আগে প্রেম জিনিসটা ভয় লাগত। পরে দেখা যাবে আমি যেই মেয়েটারে এতদিন ভালবাসতাম হ্যায় আমার ফ্যামিলিরে নেগলেক্ট করতাছে। যেটা আর যেই সহ্য করতে পারুক আর নাই পারুক আমি একদম সহ্য করতে পারি না। আরেকটা কারণ ছিল আমার মা। আমার আম্মু যদি না থাকত তাহলে হয়ত আমি আজকে এত ভালো অবস্থায় থাকতে পারতাম না। সত্যি বলতে কি আমাদের পরিবারটা চলত আমার আম্মার উপর। আব্বু কিছুই করত না। ডালে ডালে জীবন কাটাইত। আর আম্মা আমারে চাকরী কইরা আইন্যা খাওয়াছে,পড়াইছে,বড় করছে। তাই আম্মুরে কষ্ট দিতে এমন কি একটা কথা এদিক সেদিক করতেও খুব ভয় লাগত। আর তাছাড়া এস.এস.সি পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ কইরা মানে আশানুরূপ রেজাল্ট করতে না পাইরা আম্মুরে খুব কষ্ট দিছিলাম। যদিও ইচ্ছা করে খারাপ করি নাই। হয়ত এটা একটা Irony fate ছিল। কিন্তু তখন আর আম্মুর মুখের দিকে লজ্জায় তাকাইতে পারি নাই। অবশ্য আম্মু কখনও আমাকে বকাঝকা করেছেন বলে আমার মনে পড়ে না,এমনকি আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধেও কখনও যান নাই। তাই প্রেম করলে হয়ত কিছু বলতেন না,তবুও আমার বিয়ে তো আর শুধু আমার বিয়েই না, আম্মুর ছেলেরও বিয়ে। তারও পছন্দ থাকতে পারে। তাই কোন দিন প্রেম ট্রেম করব চিন্তা করি নাই।কিন্তু এদিকে আবার সপ্নার কান্নাকাটি চলতাছিল। সব ভাইব্বা,চিন্তা কইরা সপ্নারে কইলাম, “প্রেম করতে পারি তবে তোমারে এমন হইতে হইবো যেন আম্মু তোমারেই তার ছেলের বউ হিসেবে পছন্দ করে, আর যদি আম্মা মানা করে তাহলে কিন্তু আমি কিছুই করতে পারুম না।।” ও কইল, “ঠিক আছে।” ব্যাস শুরু হইল আমাগো প্রেম।এখন আমাগো রিলেশানের সাত বছর চলতাছে। আর বিয়ের দুই বছর আজকে পূর্ণ হইল। এখন সপ্না আম্মার অনেক প্রিয় হয়ে গেছে। সারাদিন দুইজনে অনেক মজা করে। আর আম্মা সুখে আছে বলে আমিও খুশি। যাই হোক এবার আসি কাহিনীতে।সপ্নার বাসায় ঐদিন গেলাম বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। মার্চ মাসের গরম চলছিল। ঐ দিন প্রচন্ড গরমও পড়েছিল। তবে সুন্দর ঝিরঝিরে বাতাস ছিল বিকেলটাতে। গায়ের টি শার্ট টাও ঘামে ভেজা। যার জন্য কিছুটা ঠাণ্ডা লাগছিল । সপ্নাদের ফ্ল্যাটটা ছিল বনশ্রীতে। এখন অবশ্য ওটা ভাড়া দেয়া। ফ্ল্যাটটায় একটুও কার্পণ্য করে নাই ডিজাইনার। বিশাল বিশাল রুম, প্রত্যেকটার সাথে একটা বিশাল ব্যলকনি। এর মাঝে ওদের বাসা আবার বারো তালায়,সেকেন্ড টপ ফ্লোর। মানে আলো বাতাসের কোন অভাব নাই। বাসাটার ইন্টেরিওর ডিজাইনিংটাও খুব যত্ন করে করা হয়েছে। আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর লাগে ওদের ওয়াশরুম গুলা। ফ্ল্যাটটাতে যেরকম টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছিল সেটা তখন খুব রেয়ার ছিল। আংকেল অনেক শৌখিনও ছিলেন,তার উপর টাকা পয়সার কোন অভাব ছিল না। হয়ত এ জন্যই এত সুন্দর একটা বাসা খুঁজে পেয়েছিলেন। তখন ভাবতাম কবে এমন একটা ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারবো। পরে যখন টাকা পয়সা হইছে তখন আর ঐরকম ফ্ল্যাট পাই না। সব কমার্শিয়াল। ঢাকা, চট্টগ্রাম সব খুইজা ফালাইছি কিন্তু পাই নাই। আব্বু মানে আমার শ্বশুর যখন জানলেন ওটা আমার খুব প্রিয় তখন অবশ্য আমাকে ফ্ল্যাটটা দিয়ে দিতে চেয়েছিলেন । কিন্তু লজ্জায় পড়ে মানা করেছিলাম ।আমি লিফট থেকে নেমে সপ্নাদের বাসায় কল বেল দিতেই ও দরজা খুলল। একটা টি শার্ট আর ট্রাউজার পড়নে ছিল। আমি বাসাতে ঢুকে ব্যাগটা রেখে ড্রইং রূমে সোফাতে গা এলিয়ে দিলাম। ও আমার সামনে এসে মিটমিট করে হাসছিল। আমি এগুলা দেখে দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। তাই নির্লিপ্ত ছিলাম।–কি খাবা?

–দাও না যা আছে,খুব খিদা লাগছে। চারটা টিউশনি শেষ করে আসছি। আগামী কয়েকদিনের পড়াও এডভান্স করে দিতে হইছে। ভালো লাগতেছে না।–তুমি বেশি সিনসিয়ার। দরকার কি ছিল এত লোড নেয়ার?

”চোখ কচলাতে কচলাতে বিরক্তি মিশ্রিত কণ্ঠে বললাম, “হ্যাঁ,ভাঙল। দরজাটা খোলা রাখছো কেন? ”–“আরে ভাইয়া,সেই কথাই তো বলতে চাচ্ছিলাম। আমাদের ক্লাস আগামী সাত দিন বন্ধ থাকবে মানে ক্লাস সাসপেন্ড করা হয়েছে।” শাওন দাঁত গুলা বের করে বলল।আমি ভেতরে ভেতরে ভীষণ খুশি হলাম। গত কয়েকদিন হতে আম্মুকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছিল। ভাবছিলাম বন্ধটাতে যাওয়া যাবে চট্টগ্রাম। আমার আম্মা ওখানেই ছিলেন তখন। বাহিরে খুশিটা দেখালাম না। নির্লিপ্ত কণ্ঠে বললাম, “তাই নাকি?

”–হ্যাঁ ভাইয়া,মুনীম স্যার এসে বলে গেলেন এই মাত্র। আপনাকে ঘুমে পেয়ে আর ডিস্টার্ব করেন নাই। আর এই জন্যই দরাজাটা খোলা।ও হয়ত আমার কাছ থেকে অন্ততঃ একটা হাসি আশা করছিল। কিন্তু আমি সেই একই নির্লিপ্ত কণ্ঠে বললাম, “ভাল।”এই বলে গেলাম টয়লেটে। ভীষণ হাগা ধরছিল। পেশাবও ধরছিল প্রচণ্ড। আমাদের টয়লেটটা রুম থেকে একটু দূরে ছিল। রুমের সামনের করিডোরটা দিয়ে হেঁটে যাওয়া লাগত। পথে আবার সুমনের সাথে দেখা। ও হল আমার ভাইয়ের মত। সেই ক্লাস ওয়ান থেকে এখনও আমার সাথে তার বন্ধুত্ব আছে। খুব ভালো ছেলে। তখন ও পড়ত আর্কিটেকচারে আর আমি পড়তাম কম্পিউটার সায়েন্সে। ওর ফ্যামিলিও তখন চট্টগ্রাম। দুইজন সবসময় একসাথে যাওয়া আসা করতাম। দেখা হওয়ার সাথে সাথে সুমন আমার দিকে একটা হাসি দিয়ে বলল, “দোস্ত,খালাম্মার লগে দেখা করতে যাবি না? –একটা সুষম সপ্তভুজ আঁকতে হবে। তাও আবার একটা কম্পাস আর স্কেল দিয়ে,পারবা?

–আমার তো পড়াশুনাই Human Body নিয়ে। আইডিয়া তো থাকবে এটাই স্বাভাবিক। ছেলেদের নিয়ে প্রচুর ইন্টারেস্টও আছে। আর সেটা আজকে আমি পূর্ণ করবো।–তোমার কাছে তো এগুলা নতুন না। বই এ ছবি এ আছে, লাশ ঘরে লাশ অবসারভ করতে গিয়ে নিশ্চয়ই দেখছ, তবুও? ছোট্ট রিশাত কি করে,না করে,কখন দাড়ায়,কখন বসে থাকে,কখন কান্না করে সব কিছুতে ইন্টারেস্ট আছে। সব কিছু দেখবো আজকে।ওর কথায় আমি হি হি করে হেসে বললাম, “ঠিক আছে, দেইখো।”–“তুমি দেখবা না কিছু? ”আমি কিছুই বললাম না। একটু হেসে গ্লাসটা বেড সাইড টেবল টাতে রাখলাম। ও তখন বিছানার সামনে কাউচটাতে বসা।–আরেকটু নাও? –নাহ। থাক। বেশি খাওয়া ঠিক না। একদিনের জন্য দেড় পেগ যথেষ্ট।–সেটা অবশ্য ঠিক কথা।ও আরেকটু খেয়ে গ্লাস আর বোটলটা রেখে আসল। তারপর এসে আমার সামনে দাঁড়াল। কেমন করে যেন একটা হাসি দিল যেটা আমি এর আগে ওর মুখে কখনও দেখি নাই। চোখের মাঝেও যেন অদ্ভুত কি একটা ছিল। তাই ওর চোখের দিকেও তাকাতে পারছিলাম না। ও ওর লম্বা লম্বা আঙ্গুল দিয়ে আমার কাঁধে,ঘাড়ে আস্তে আস্তে টিপে দিতে লাগল। ভালই লাগছিল। কিন্তু পাগলিটা বেশিক্ষন দিল না। একটু পর আমার টি-শার্টটা খুলে ফেলল। বুকের মধ্যে আঙ্গুল চালাতে লাগল। আমি কিছুই বলছিলাম না। ওর চোখে যেন কেমন একটা মাদকতা ছিল। রুম টেম্পারেচার তখনও ২০ ডিগ্রীতেই। তবুও গরম লাগছিল।ধীরে ধীরে সপ্নার আঙ্গুল আমার প্যান্টের দিকে এগুলো। ও আমার বেল্ট খুলে ফেলল। হুকটাও খোলা হল। এরপর ও আমার সামনে নিচে হাঁটু গেড়ে বসলো। ওর চুল গুলো পেছনে পাঞ্চক্লিপ দিয়ে আটকানো ছিল। চুল গুলা খুব সুন্দর। পিঠ পর্যন্ত লম্বা, আর ইউ কাটা দেয়াছিল তখন। খুব সফট আর সিল্কি চুল। ধরতে খুব ভালো লাগে। আমি বিছানায় বসে ছিলাম তাই ওর দুধগুলো আমার পায়ের সাথে লাগছিল। খুব নরম। আসলে আমি মুভিটা দেখার সময়ই টের পেয়েছিলাম যে ওর সারা শরীরই ভীষণ নরম। আমি বসে ছিলাম এজন্য সপ্নার আমার আন্ডারওয়ারটা ছাড়াতে কষ্ট হচ্ছিল। তাই আমি উঠে দাঁড়িয়ে প্যান্ট, আন্ডারওয়ার সব খুলে Naked হলাম। ও এই ফাঁকে ব্যলকনির দরজাটা লাগিয়ে দিল। পর্দা গুলোও টেনে দিল। তারপর ডিম লাইটটা জ্বালিয়ে,টিউব লাইটটা বন্ধ করে দিল। সেটা আবার পিঙ্ক কালারের হওয়ায় পুরো ঘরটা তখন কেমন যেন অশরীরি লাগছিল। আমি বিছানায় শুলাম। ও রুমের দরজাটাও লাগিয়ে দিল। তারপর গেল এটাচড ওয়াশরুমটাতে। হাতে কি যেন নিয়ে বের হল। আমার বাড়া তখন আবার একটু নেতিয়ে পড়েছিল। আমি ওকে বললাম, “কি আনলা?

” ও পাল্টা প্রশ্ন করলো।–“It’s up to you.” আমি সিম্পলি বললাম। “তোমার দেখাতে ইচ্ছা করলে দেখাবা,দেখব। আর না দেখাতে ইচ্ছা করলে দেখাইয়ো না। সমস্যা নাই।”–তাহলে তো তোমার দেখার কোন ইচ্ছাই নাই। কোন মেয়ে কি ইচ্ছা করে নিজেকে তার বয়ফ্রেন্ড এর সামনে Nude করে নাকি? ” ও হেসে বলল, “এটা হল জেল। লুব্রেকেটিং অয়েল। ছোট্ট রিফাতের জন্যে।” ও খাটের উপর উঠে আমার দুপায়ের মাঝে বসে অয়েলটা আমার বাড়াতে মাখিয়ে দিতে লাগল। মাখাতে মাখাতে বলল, “তোমার বাড়ার লোমগুলা কাটতে পারো না?

We understand why you are blocking ads, but just know it compromises your site experience (features may break or not appear entirely) and prevents us from investing in the Future of Porn.

Tags: , ,